অনলাইন পোর্টাল বাংলাদেশ জন- জামায়াতে ইসলামী, সদা সত্য প্রকাশে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

আপনার মতামত নিজের মনগড়া না দিয়ে কোরআন সুন্নাহর দলিল মোতাবেক দিন

সম্পাদকীয়

জীবনের সবটুকু প্রসংশা আল্লাহর জন্য,দরূদ ও ছালাম জানাই সর্বশেষ পয়গাম্বর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম এবং আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরাম আজমাঈন রাঃ প্রতি। জামায়াতে ইসলামীকে যারা ভালোবেসে ভোট দেই,টাকা দেই তারা চাই আমার নেতাটা হবে মসজীদের ইমামের মত মুখভর্তি লম্বা দাড়ি,পরনে থাকবে নেসফেসাক খোদা ভীতির পোশাক।যাদেরকে দেখলেই আল্লাহর কথা মনে পড়ে যাবে। দিল চলে যাবে সাড়ে চৌদ্দশত বছর পিছনে খোলাফায়ে রাশেদার দিক। যাদের নেতৃত্বের পাশে থাকতো যোগ্য উত্তরসুরী,কোনকিছু প্রাপ্তির জন্য কেউ ঘুরঘুর করতোনা। চাটুকারীর আভাসে যাদের মুখে ধুলা নিক্ষেপ করা হতো। যারা দুনিয়ার বুকে কোরআন সুন্নাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা করবে যেভাবে করেছেন আল্লাহর রাসুল এবং সাহাবায়ে কেরাম রাঃ । আর আমরা তাদের সমর্থন দিয়ে নিজেদেরকে আল্লাহর সমীপে হাজির হয়ে বলবো ও আল্লাহ তোমার এই দলটাকে তোমার পথের এই মানুষ গুলোকে আমরা ভালো বাসতাম, এটাই হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে সাধারণ জনগনের ধারনা এবং জামায়াতে ইসলামীর কাছে চাওয়া

জনগণ আল্লাহর বিধান মত নেতৃত্ব আশা করে

সুরা নূরের ৫৫ নং আয়াতের আলোকেই আমার লেখাوَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الْأَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ الَّذِي ارْتَضَىٰ لَهُمْ وَلَيُبَدِّلَنَّهُم مِّن بَعْدِ خَوْفِهِمْ أَمْنًا ۚ يَعْبُدُونَنِي لَا يُشْرِكُونَ بِي شَيْئًا ۚ وَمَن كَفَرَ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য। উপমহাদেশে ইসলামী বিপ্লবের দীর্ঘ সময় বা বছরেও আমরা এই আয়াতের দাবী এখনো পুরন করতে সক্ষম হয়নি।একটা কথায় আছে সঙ্গদোষে লোহা ভাসে। ইসলামী বিপ্লবের সংগঠনের ভিতর কিছু সুবিধাবাদী লোক বুদ্ধিজিবী,পুরাতন,বড়লোক শিক্ষিত ইত্যাদী লকব নিয়ে কিছু কুপরামর্শের দ্বারা এখলাসহীন এবং ইমান ও আমলে সালেহ এর পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার কারণে আল্লাহ তায়ালা জমিনে এই জাতীয় মানুষদের দ্বারা তৈরী দলকে খেলাফত দিচ্ছেননা। তৃনমূল তথা নেতাদের মধ্যে আতংক বিদ্যমান,মনে শান্তি নেই ,কখন জানি কি হয়? এ আয়াতের রহস্য বের করে যতক্ষন সংশোধন না করা যাবে ততক্ষন আল্লাহ খেলাফত কবুল করবেননা। ২০২৬ এর নির্বাচনে গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী ব্যপক আসনে বিজয়ী হওয়ার পর ও রাখতে পারিনি কেন? এই আুয়াতের দাবী পুরন হয়নি।বলতে পারেন বিরোধীরা ক্যামনে পেল ? উত্তর তাদের দাবীতো খেলাাফত না,তাদের দাবী দুনিয়া সেটা তারা পেয়েছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবী নিয়ে আমাদের অভ্যাস যদি তাদের মত হয় তাহলে আল্লাহ তাদের দ্বারা আমাদের দলিত করবেন এটাই আল্লাহর সুন্নাত। জনগণের সমর্থনের কোন অভাব নেই,জনগণ চাচ্ছে তাদের ইসলামী নেতারা ইসলামী নেতার মতই হোক,কোরআন সুন্নাহতে বর্ণিত নেতার মত হোক। আমরা সাংগঠনিক ভাবে সেই লোক গুলোকে সংশোধন করতে যত দেরী করবো ইসলামী খেলাফত আমাদের থেকে ততদূরে যাবে। আমরা সংশোধন হয়ে সামনে এগুতে চাই।আল্লাহ তৌফিক দান করুন আমিন।

আপনি বা আপনার দল কখন ইসলামী খেলাফত পাবেন এবং কল্যান রাষ্ট গঠনে কখন সক্ষম হবেন

সুরা নুরের ৫৫ নং আয়াতাংশের وَعَمِلُواالصَّالِحَاتِ এর ব্যাক্ষায় আপনার নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। উদারহন স্বরূপঃ যে কাজ আপনি সামান্য কষ্ট করলে করতে পারেন সেখাানে যদি তা না করে সংগঠনের পয়সা খরচ করে করেন তাহলে আপনি এখনো প্রস্তুত হননি,আপনার সাড়েতিন হাত শরীরর অঙ্গপ্রত্যঙ্গে এবং মনে যতক্ষন ইসলাম প্রতিষ্ঠা না হবে ততক্ষন রাষ্টে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হাস্যকর মাত্র। আপনার আয়ত্বে দশজন মানুষকে সাহায্য করার জন্য কিছু সম্পদ আপনাকে দেয়া হয়েছে আপনি যদি নিজের দিকে ঝুকে তা বন্টন করেন তাহলে আপনি নিজে বিতর্কিত হবেন সম্মান হারা হবেন এবং আপনার কারণে আপনার দল কল্যান রাষ্টের দিকে যেতে পারবেনা। নিজের দিকে ঝুকা বলতে নিজে এবং নিজের আপনজনদের মাঝে বন্টনকে বোঝানো হয়েছে। আপনি কোন কাজ করতে গেলে আপনার মনে যদি শরীয়তের কথা জাগ্রত না হয় এবং সেই মোতাবেক কাজ না করেন তাহলে আপনি এখনো রাষ্ট্র ক্ষমতা পাওয়ার উপযুক্ত হননি। আপনার ভিতর যদি চাটুকারিতা ,তোষামোদ ভাব,কিছু পাবো,কোনকিছু গোপন করা,ফিসফিসে অভ্যাস এমন আকাংখা থাকে তাহলে আপনি এখনো প্রস্তুত হননি। স্বল্প কথায় নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন আপনার ভিতর এই দোষ সমুহ আছে কিনা? যদি থাকে আজকে থেকে তওবা করে যাত্রা শুরু করুন খথাগুলো বার বার পড়ুন আর নিজের সাথে মিলান।

জামায়াতে ইসলামীর মুখলেছ নেতৃবৃন্দকে এখুনি সতর্ক হতে হবে।

মাঠ পযায়ে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে জামায়াতে ইসলামের নেতা এবং কর্মী পরিচয়ে বেশ বড় একটা শ্রেনী জামায়াতে ইসলামীর মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে উপেক্ষা করে অন্যান্য দুনিয়াবী দলের ন্যায় নেতা সাজা,নেতা হওয়া,মেম্বার হওয়ার আকাংখা,চেয়ারম্যান হওয়ার আকাংখায় উর্ধতনদের পিছে ঘুর ঘুর দৌড়ঝাপ,অনুদান বন্টনে নিজস্বপ্রাপ্তিতা ইত্যাদী নানা ধরনের ব্যক্তি স্বার্থের বেড়াজালে মত্ত। এহেন পরিস্থিতির যদি লাগাম না ধরা যায় তাহলে দলটি আস্তে আস্তে আল্লাহর সন্তুষ্টি থেকে দূরে সরে যাবে। সংগঠনে তারবিয়্যতি প্রগাম কাগজে কলমে থাকলেও বাস্তবতায় তা আশানুরূপ ফলাফল অর্জনে সক্ষম হচ্ছেনা। নেতা কর্মীদের নৈতিক চরিত্র গঠনের জন্য তারবিয়্যতি প্রগ্রামের মাধ্যমে সাপ্তাহিক যে প্রেষনা দেয়া প্রয়োজন তা ১০ শতাংশ ও হচ্ছে না। একজন নেতা বা কর্মীর ব্যক্তিগত আদর্শ কেমন হবে তা সিলেবাসে থাকলেও বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন হচ্ছেনা যার প্রেক্ষিতে এগুলো হচ্ছে। নৈতিক চরিত্র সংশোধন, চরিত্র গঠন,মটিভিশন মুলক ক্লাসগুলো যারা নিলে তাছির হবে তাদেরকে দর্শক শ্রোতার কাতারে রেখে যদি ইলমে অপরিপক্ক পদায়নে বড় নেতা পরিচয়ের জন্য তাদেরকে দিয়ে নেয়া হয় সেখানে আল্লাহর রহমতের তাছির হবেনা। রিপোর্ট বইতে মাশাআল্লাহ বোযর্গের ছাপ কিন্ত ব্যক্তি জীবনের উন্নয়ন শুন্যের কোঠায়। আমরা বুকে হাত দিয়ে কি বলতে পারবো বিগত ৬ মাসে দুজন কর্মীকে নৈতিক চারিত্রিক সংশোধনের পিছে সময় ব্যয় করে উপদেশ দিয়েছি? আর এই রোগটিই চিহ্নিত হয়েছে সমীক্ষায়। যার কারনে নেতা কর্মীরা দুনিয়াবী আকাংখার দিকে ধাবিত হচ্ছে বেশি। ফলাফল হিসাবে অন্তর মরে যাচ্ছে, সাহস হারিয়ে যাচ্ছে, অযাচিত দুর্ঘটনা চেপে বসছে। ইমানের মজবুতি কমে যাচ্ছে, দুনিয়াবী আকাংখা বাড়ছে,চাটুকারিতা বাড়ছে,লোভ বাড়ছে সুতরাং এপথ থেকে আমাদের এখুনি ফেরার জন্য যোগ্য মানুষদের সোহবতের মাধ্যমে চরিত্র গঠনে ব্রতি হতে হবে।

ইসলামে আনুগত্য বলতে কি বুঝায় ?

(সুরা তাগাবুন : ১২)(সুরা: আন-নূর, আয়াত: ৫২)(সুরা: আল ইমরান, আয়াত: ৩১)(সুরা হাশর: আয়াত ৭)আল আহযাব, আয়াত: ৭১) আনুগত্য সম্পর্কে কোরআনের যত আয়াত নাযিল হয়েছে সবগুলো হিজরতের পর মদীনা জিন্দেগীতে এবং ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের পর। তার আগে মক্কী জিন্দেগীতে বলা হয়েছে অনুসরনের কথা। অনুসরন এবং আনুগত্যের হকিকত গত পার্থক্য আছে। আনুগত্যের চেইন তিনটি, আল্লাহ, রাসুল এবং আমির বা উলিল আমর

উলিল আমর কে ?

উলিল আমরের ব্যক্ষা আল্লাহর রাসুলের জীবন থেকে নিতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের পর তা রক্ষার জন্য বিভিন্ন জনপদে গভর্ণর বা আমির নিযুক্ত করা হতো এবং কোন রেকী বা জিহাদে সৈন্যদল প্রেরন করলে সেখানে কমান্ডার বা আমির নিযুক্ত করা হতো অথবা কোথাও কোন মুসলমান ছত্রভঙ্গ হয়ে থাকলে সেখানে একজনকে আমির বানিয়ে নিতে বলা হত। এরা সবাই আল্লাহর রাসুলের হতে যে সমস্ত আদেশগুল আসতো তা জনগণকে পালনের জন্য নির্দেশ দিতো। উলিওল আমররা নিজের মনগড়া কোন আদেশ দিতেননা। তবে ময়াজ ইবনে জাবালের একটা হাদিসে আছে রাসুল সাঃ যখন তাকে ইয়েমেনের গভর্ণর করে পাঠানোর সময় যে নসিহত করে ছিলেন তার ভিতর একটি এরকম যে তুমি যদি কোন সিদ্ধান্ত কোরআন সুন্নাহর ভিতর থেকে বের করতে সক্ষম না হও তখন কি করবা তিনি বলে ছিনে আকল খাটিয়ে অর্থৎ ইজতিহাদের মাধ্যমে সমাধান করবো। উলিল আমর অলিতে গলিতে নির্ধারণ করা হয়না,উলিল আমর নির্ধারিত হয় ইসলামিক স্টেট কায়েমের পর তার আগে যা কিছু হবে সব দলনেতা।

উলিল আমরের পাওয়ার?

উলিল আমর হতে হলে তিনি যে এলাকার উলিল আমর সেই এলাকায় কোরআন সুন্নাহতে বর্ণিত শরীয়া আইন প্রয়োগ করতে হবে। তা না হলে তাকে উলিল আমর বলা যাবেনা। তাহলে কি বলা যাবে? মক্কী জিন্দেগী হতে উদারহন নিতে হবে।ইথোপিয়াতে যখন কিছু মজলুমকে রাসুলুল্লাহ হিজরত করতে পাঠিয়ে ছিলেন তখন কার নেতৃত্বে গিয়েছিলেন? হযরত উসমান ইবনে আফান রাঃ এর নেতৃত্বে। তিনি সহযাত্রীদের উপর ব্যক্তিগত কোন আদেশ দেননি,যতটুকু রাসুল বলেছেন এবং যতটুকু ওহী নাযিল হয়েছে ততটুকু বলেছেন তিনি ছিলেন অনুসরনকারী দলনেতা তিনি তখন উলিল আমর নন। আমাদের জাগতিক দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি মানুষই কারো না কারো অনুসারী হয়। এই অনুসরণের মানদন্ডও আল্লাহ নির্ধারন করে দিয়েছেন। একজন মুসলিম কখনোই চাইলেই যে কারো অনুসরণ এবং আনুগত্য করতে পারে না। বিশেষ করে ধর্মীয় আনুগত্য করতে হলে অবশ্যই কুরআনের নির্দেশ অনুসারেই করতে হবে। আল্লাহ বলেন, “হে ইমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রাসুলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।” (সুরা নিসা ৪:৫৯) আল্লাহ এবং রাসুলের আনুগত্যের পর নির্দেশ মান্য করা যাবে উলিল আমর তথা বিচারক, নেতৃত্বস্থানীয়, পীর, অলি, আউলিয়া, উস্তাদ, শায়খ, শিক্ষক নেতা ইত্যাদি। অর্থাৎ এই দুনিয়ার জীবনে ধর্মীয় এবং জাগতিক যে-কোনো বিষয়ে আল্লাহ এবং রাসুলের পরে এদেরকে অবশ্যই মান্য করা যাবে। তবে তা শর্তযুক্ত। কী সেই শর্ত? সেটা হলো, যদি এইসব উলিল আমরের অন্তর্ভূক্তদের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয় তা আল্লাহ এবং রাসুলের দিকে ফিরিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ দুনিয়াবী যত আলেম উলামা পীর মাশায়েক শায়খ উস্তাদ রয়েছে, তাদের সিদ্ধান্তকে কুরআন এবং হাদিস দ্বারা যাচাই করতে হবে। সুতরাং দুনিয়াবী যে-কোনো কাউকে কিংবা যে-কোনো দলের অনুসরণ ততক্ষণ পর্যন্ত করা যাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত সে কিংবা ঐ দল কুরআন এবং সুন্নাহর মধ্যে থাকবে। কেউ যদি কুরআন এবং সুন্নাহর বিপরীত কোনো সিদ্ধান্ত দেয় বা কুরআন সুন্নাহ বিরোধী ইমান আকিদা পোষণ করে। তাহলে তার এবং তাদের অনুসরণ কখনোই ইসলামে গ্রহণযোগ্য হবেনা। হাদিসে এসেছে “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যদি কোনো বিকলাঙ্গ কুৎসিত গোলামকেও তোমাদের শাসক (নেতা) নিযুক্ত করা হয়। আর সে আল্লাহ তা’আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদেরকে পরিচালিত করে, তাহলে অবশ্যই তোমরা তার কথা শুনবে এবং তার আনুগত্য করবে।” (সহিহ : মুসলিম ১২৯৮, সহিহ আল জামি‘ ১৪১১) একইভাবে তিনি আরও বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: প্রত্যেক মুসলিমের (তার শাসনকর্তার নির্দেশ) শোনা এবং আনুগত্য করা অপরিহার্য; তার মন:পূত হোক বা না হোক, যতক্ষণ না তাকে গুনাহের দিকে নির্দেশ করে। কিন্তু যদি তাকে গুনাহের কাজের নির্দেশ দেয়া হয়, তখন তা শোনা ও আনুগত্য করা কর্তব্য নয়।” (বুখারি ৭১৪৪, মুসলিম ১৮৩৯, আবূ দাঊদ ২৬২৬, তিরমিযি ১৭০৭, সহিহ আল জামি‘ ৩৬৯৩, আহমাদ ৬২৭৮) উপর্যুক্ত হাদিসের আলোকে রাসুল (সা.) স্পষ্ট করে নির্দেশ দিয়েছেন যে, যে-কোনো ইসলামি নেতা নেতৃত্ব কিংবা পীর, বুজুর্গ ইত্যাদির আনুগত্য করা যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ তারা কুরআন হাদিসের বিরুদ্ধে না যায়। তারা যদি কুরআন হাদিসের বিরুদ্ধে যায় তাহলে তাদের আনুগত্য ও অনুসরণ করা যাবে না। তাই যাদেরই আনুগত্য আমরা করে থাকি তাদেরকে যাচাই বাছাই করে তবেই আনুগত্য করতে হবে।

অবৈধ রাষ্ট্রপতির ভাষনকে নাকোচ করে আমিরে জামায়াতের সা থে সংসদ থেকে বেরিয়ে আসলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির সংসদ সদস্য জনাব রুহুল আমিন

জুলাই সনদকে অস্বীকার করা নিজেদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করার শামিল- এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি

★ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিতে বিএনপির প্রতি আহ্বান। সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, আপনারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর দিয়েছেন কিন্তু শপথ নিতে অনীহা প্রকাশ করে জাতির সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যত্যয় হলে জাতি আপনাদের ক্ষমা করবে না। মনে রাখবেন জুলাই সনদ ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের ফসল। আজকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনীহা দেখাচ্ছেন অথচ জুলাই না হলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশে আসতে পারতেন না। আজকে যারা মন্ত্রী হয়েছেন তারা মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেতেন না। আমরা যারা জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছি এই সুযোগও আমরা পেতাম না। জুলাই সনদকে অস্বীকার করা মানে জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা। জুলাইকে অস্বীকার করা নিজেদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করার শামিল। তিনি আরও বলেন, জাতির অনেক আশা-আকাঙ্খা। সেই আশা-আকাঙ্খা পূরণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জুলাই আন্দোলনে হাজার-হাজার ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত করে এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমাদেরকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছে। যারা সরকার গঠন করেছে তারা জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে জামায়াতে ইসলামী সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। কিন্তু সরকার জনগণের বিপক্ষে গেলে জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চকবাজার দক্ষিণ থানার উদ্যোগে রাজধানীর বকশিবাজারস্থ কারা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি রোজার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, আল্লাহ রোজা শুধুমাত্র আমাদের জন্য ফরজ করেননি। বরং রোজা আমাদের পূর্ববর্তী সকল জাতি-গোষ্ঠী ও গোত্রের জন্য রোজা ফরজ ছিল। আল্লাহ নিজে ঘোষণা দিয়েছেন, আশা করা যায় রোজা তোমাদের সফলকাম করবে। এই সফলকাম হতে হবে দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য। রোজা পালনের মাধ্যমে আমাদের পরিবর্তন হতে হবে। নিজের মাঝে যত অন্যায়-অনাচার আছে রোজা পালনের মাধ্যমে সেই সকল অন্যায়-অনাচার থেকে ফিরে আসতে হবে। রোজার শিক্ষায় জীবন গড়তে তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য ও চকবাজার দক্ষিণ থানা আমীর মাওলানা আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর শিক্ষাবিদ আব্দুস সবুর ফকির এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম ব্লকের ৯ম তলায় বিরোধীদলীয় সভাকক্ষে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় সংসদীয় দলের সভা চলছে।

ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ১০ দিন আগে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিজুর রহমান আজ ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহদাত বরণ করেন। একই হামলায় ওনার বড় ভাই হাফিজুর রহমান ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহদাত বরণ করেন। হে আলাহ অত্যন্ত মেহেরবানী করে তোমার এই বান্দাগুলোকে মাফ করে জান্নাতের মেহমান বানিয়ে দিও আমীন।।

কার্পাসডাঙ্গা কলেজ পরিদর্শনে নব নির্বাচিত এমপি জনাব মোঃ রুহুল আমিন

কার্পাসডাঙ্গা কলেজে শুভেচ্ছা বিনিময়ে মাননীয় চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন, এই ছবিটি ফেসবুকে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছ। সাথে ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের আমির জনাব মোঃ নায়েব আলী
দর্শনা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়,উক্ত সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলার সম্মানিত আমির জনাব মোঃ রুহুল আমিন প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলংকৃত করেন,সাথে ছিলেন জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান এবং পৌর আমির সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

1 টি মন্তব্য: